ইরানে ফের বোমাবর্ষণ শুরু করল আমেরিকা। এই নিয়ে টানা ন’দিন তারা ইরানে হামলা চালাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সংঘর্ষে নিহত আমেরিকান সেনার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন। এর আগে ইরানের হামলায় জর্ডনের মার্কিন সেনাঘাঁটিতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। রবিবার সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরাকে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে সেই বোমা ফেটে মৃত্যু হয়েছে আরও এক মার্কিন সেনার। তার পর থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই হামলা চলছে, জানিয়েছে সেন্ট্রাল কমান্ড।
সোমবার সকালে একটি বিবৃতি জারি করে পশ্চিম এশিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকান সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ় প্রণালীতে ইরান যাতে কোনও বাণিজ্যিক জাহাজে আর হামলা চালাতে না-পারে, সেই কারণে তাদের ক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে সেখানে নতুন করে আক্রমণ শুরু করা হয়েছে। তবে কোথায় কোথায় বোমা ফেলেছে আমেরিকা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হামলার বিশদ কোনও বিবরণ মার্কিন সেনাবাহিনী দেয়নি। ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সোমবার ভোরে দেশের একাধিক শহরে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে তাবরিজ, চাবাহার, কোনারাক, বন্দর মাশাহর এবং বন্দর ইমাম খোমেইনিতে।
সাম্প্রতিক সংঘর্ষে তৃতীয় মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে ইরাকের উত্তরাংশে। সেখানে আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ছিলেন ওই জওয়ান। সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরাককে নিশানা করে ছোড়া ইরানের একটি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছিল। তাতে যে বোমা ছিল, তা নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন মার্কিন এক সেনা আধিকারিক। শনিবার তা ফেটে প্রবল বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ওই সেনার। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নিয়ে ১৭ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হল। জখম হয়েছেন ৪২০ জনেরও বেশি।
আমেরিকার হামলার জবাব দিচ্ছে ইরানও। তাদের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী সিরিয়ায় মার্কিন সেনার বিশেষ অভিযানের সদর দফতরে আচমকা হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া, কুয়েতের দু’টি ঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষে ইরানের নিশানায় রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, বাহরিন, জর্ডন, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। ইরানে হামলা চালানোর জন্য এই সমস্ত দেশের সেনাঘাঁটিই ব্যবহার করে ওয়াশিংটন।
গত মাসে আমেরিকা এবং ইরান সমঝোতার মউ স্বাক্ষর করেছিল। তাতে ৬০ দিনের সংঘর্ষবিরতির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু হরমুজে একের পর এক বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পারদ আবার চড়েছে। ট্রাম্প নিজে ঘোষণা করেন, সংঘর্ষবিরতি শেষ। তবে সমঝোতার আলোচনা চলবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই রবিবার জানান, সমঝোতাপত্রে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের কোনও মূল্যই নেই। তাই নতুন করে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সোমবার সকালে একটি বিবৃতি জারি করে পশ্চিম এশিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকান সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ় প্রণালীতে ইরান যাতে কোনও বাণিজ্যিক জাহাজে আর হামলা চালাতে না-পারে, সেই কারণে তাদের ক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে সেখানে নতুন করে আক্রমণ শুরু করা হয়েছে। তবে কোথায় কোথায় বোমা ফেলেছে আমেরিকা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হামলার বিশদ কোনও বিবরণ মার্কিন সেনাবাহিনী দেয়নি। ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সোমবার ভোরে দেশের একাধিক শহরে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে তাবরিজ, চাবাহার, কোনারাক, বন্দর মাশাহর এবং বন্দর ইমাম খোমেইনিতে।
সাম্প্রতিক সংঘর্ষে তৃতীয় মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে ইরাকের উত্তরাংশে। সেখানে আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ছিলেন ওই জওয়ান। সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরাককে নিশানা করে ছোড়া ইরানের একটি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছিল। তাতে যে বোমা ছিল, তা নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন মার্কিন এক সেনা আধিকারিক। শনিবার তা ফেটে প্রবল বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ওই সেনার। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নিয়ে ১৭ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হল। জখম হয়েছেন ৪২০ জনেরও বেশি।
আমেরিকার হামলার জবাব দিচ্ছে ইরানও। তাদের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী সিরিয়ায় মার্কিন সেনার বিশেষ অভিযানের সদর দফতরে আচমকা হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া, কুয়েতের দু’টি ঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষে ইরানের নিশানায় রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, বাহরিন, জর্ডন, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। ইরানে হামলা চালানোর জন্য এই সমস্ত দেশের সেনাঘাঁটিই ব্যবহার করে ওয়াশিংটন।
গত মাসে আমেরিকা এবং ইরান সমঝোতার মউ স্বাক্ষর করেছিল। তাতে ৬০ দিনের সংঘর্ষবিরতির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু হরমুজে একের পর এক বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পারদ আবার চড়েছে। ট্রাম্প নিজে ঘোষণা করেন, সংঘর্ষবিরতি শেষ। তবে সমঝোতার আলোচনা চলবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই রবিবার জানান, সমঝোতাপত্রে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের কোনও মূল্যই নেই। তাই নতুন করে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক